কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় বাবা-ছেলের যাবজ্জীবন

আপডেটঃ ৭:৪৫ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানার একটি হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন এবং দুইজনের ১০ বছর করে কারাদণ্ডসহ জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ অতিরিক্ত আদালত-১ এর বিচারক তাজুল ইসলাম এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার সংগ্রামপুর গ্রামের বাসিন্দা লিয়াকত আলী ওরফে নিয়ত আলী (৭০) ও তার ছেলে আশারত আলী ওরফে নওশেদ (৫০)।

১০ বছর করে সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- একই গ্রামের আরজেদ আলীর ছেলে এনামুল (৫০) ও আমির হামজার ছেলে মিন্টু আলী (৩৩)।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১১ জুন বিকেল সাড়ে ৩টায় দৌলতপুর উপজেলার সংগ্রামপুর থেকে ইচিমারি গ্রামের মধ্যবর্তী মাঠে প্রতিপক্ষ আসামিরা পরিকল্পিতভাবে উপজেলার সংগ্রামপুর গ্রামের মুক্তার হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলামকে (২৮) কুপিয়ে হত্যা করে।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও পাঁচ থেকে ছয় জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে দৌলতপুর থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ১৮ নভেম্বর ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক আকিদুল ইসলাম।

কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী বলেন, ‘আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় লিয়াকত আলী ওরফে নিয়ত আলী ও তার ছেলে আশারত আলী ওরফে নওশেদকে যাবজ্জীবনসহ পৃথকভাবে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং এনামুল ও মিন্টু আলীকে ১০ বছরের কারাদণ্ডসহ ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। জরিমানার টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে আরও এক বছর সাজা খাটতে হবে তাদের। এছাড়া এ মামলায় লিটন, লালচাঁদ ও রুবেলকে পৃথকভাবে তিন বছর সাজার আদেশসহ বাকি আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।’