ব্রেকিং নিউজঃ

রৌমারীতে বালু খেকো সিন্ডিকেট, বালু উত্তোলনের মহাঊৎসবে মেতে উঠেছে

আপডেটঃ ১১:৫২ অপরাহ্ণ | জানুয়ারি ১২, ২০২৩

 

মোস্তাফিজুর রহমান তারা, রৌমারী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা : রৌমারীতে বিপদগামী কয়েকটি সিন্ডিকেট অবৈধ পন্থায় বালু উত্তোলনে মেতে উঠেছে। সরকারের নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে নদী ও নদীর উপক‚লে জেগে উঠা ভ‚মি থেকে ড্রেজার ও বেকু দিয়ে রাতদিন বালু উত্তোলন করে চলছে। এতে বাস্তভিটা ও জমি-জিরাত হারিয়ে পথের ভিখারী হওয়া মানুষ গুলো সিন্ডিকেটের শক্তির কাছে অসহায় হয়ে নিরব দৃষ্টিতে চেয়ে দেখছে।
জেলা থেকে ১৫টি নদ-নদী দ্বাড়া যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রৌমারী উপজেলা। সৃষ্ঠির লগ্ন থেকে জিনজিরাম, সোনাভরি, হলহলিয়া ও ব্রম্মপুত্র নদের কড়াল গ্রাসে রৌমারী উপজেলাটি নদী গর্ভে বিলীনের পথে। প্রতিবছর ভাঙ্গনের তান্ডবে নদী ক‚লীয় মানুষ গুলো ভিটে-মাটি ও ফসলী জমি হারিয়ে কেহ সরকারি রাস্তার পাশ্বে, কেহ অন্যের বাড়িতে, কেহ শহরের কোন অলি-গলিতে ঝুপড়ি বেঁেধ মানবতর জীবন যাপন করছে। কালের আবর্তে ব্রম্মপুত্রের নাব্যতা বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর কুলে চর পড়ছে। এমন সুযোগ লুপে নিচ্ছে অবৈধ বালু খেকো সিন্ডিকেটটি। চরের বুকে বেকু দিয়ে ও নদীর মাঝে ড্রেজার বসিয়ে দিধারছে বালু উত্তেআলন করে ট্রাক্টর বা কাকড়া গাড়ি দিয়ে মাটি বিক্রির উৎসবে মেতে উঠেছে। এসব বালু খেকো সিন্ডিকেটের কারণে চরের স্থায়িত্ব ও মাটি জমাট বাধতে পারছেনা।
কে শোনে ভ‚মিহীন গৃহ হারা মানুষের আহাজারি। এনিয়ে পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ ও প্রশাসন বরাবর রিখিত অভিযোগ দিলেও তাযেন রহস্যজনক কারণে নীরবতার সামিল। সিন্ডিকেটটি কয়েকটি চক্রে বিভক্ত হয়ে উপজেলার উত্তরে সাহেবের আলগা হতে যাদুর চরের কাটিয়ামারী কোমর ভাঙ্গি পর্যন্ত নদী ক‚লীয় নতুন পলি পরা চরাঞ্চলে চলছে বালু খেকোদের তান্ডব। এযেন কোন ভাবেই থামছেনা। তবে বালু খেকোদের ভয়াল থাবায় অসহায় নদী ভাঙ্গা ভ‚মিহীন বাস্তহারা মানুষ গুলোর মধ্যে শমেস আলী, আব্দুস সবুর, তারিকুল, রমজান, জলিল, ময়নাল,কাসেম অভিযোগ করে বলেন, ড্রেজার ও বেকু দিয়ে যে ভাবে নদী ও নদী ক‚লীয় চর থেকে মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে , তাতে আগামী বর্ষা মৌসুমে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে অতি সহজে বানের পানি প্রবেশ করে নতুন ক্যানেল তৈয়ারী করবে ও সহজে গ্রাম গঞ্জে পানি প্রবেশ করে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করবে। এব্যাপারে রৌমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম সারোয়ার রাব্বি (ভার) বলেন অবধৈ ড্রেজার বানিজ্য বন্ধের ব্যাপারে প্রশাসন বরাবরই মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান করে আসছে, ধারা অব্যাহত রয়েছে। যেকোন সময় ব্যাবস্থা নেয়া হবে।
তাই এলাকার মানুষের প্রাণের দাবী প্রশাসনের হস্তক্ষেপের মাদ্রমে অবৈধ ড্রেজারের মাটি উত্তোলন বন্ধ করা হউক।