চাকরির চাহিদার শীর্ষ পাঁচে ডিজিটাল মার্কেটিং

আপডেটঃ ৯:১০ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ০১, ২০২২

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০২০ সালের শেষের দিকে আগামী পাঁচ বছরে বাজারে কোন চাকরির চাহিদা বাড়বে ও কোন চাকরির চাহিদা কমবে- সে বিষয়ে একটি জরিপ প্রকাশ করে। ‘ফিউচার অব জব সার্ভে- ২০২০’ শিরোনামে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে যেসব চাকরির চাহিদা বাড়বে, তার মধ্যে শীর্ষ পাঁচে স্থান পেয়েছে ডিজিটাল মার্কেটিং। সুতরাং ক্যারিয়ার হিসেবে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ কেমন- তার আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

জরিপে উঠে এসেছে, বর্তমানে প্রযুক্তির অগ্রযাত্রার সঙ্গে তাল মিলিয়ে অনেকেই অনলাইন ব্যবসায় আগ্রহী হন। কিন্তু কিভাবে শুরুটা করবেন তা বুঝতে পারেন না। আবার অনেকেই ব্যবসার শুরুটা করলেও সঠিক পরিকল্পনা ও বিপণন সম্পর্কে ধারণা না থাকায় সফল হতে পারেন না। অনলাইন ব্যবসায় এসব নতুন কিংবা তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য প্রয়োজন এ খাতের সফলদের গাইডলাইন ও অভিজ্ঞতা। আর এটিই পরিচিত ডিজিটাল মার্কেটিং নামে।

২০১৮ সাল থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিভিন্ন সেবা, প্রয়োজনীয় সমাধান বিশ্বস্ততার সঙ্গে দিয়ে আসছে বাংলাদেশি ডিজিটাল মার্কেটিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সাইন-এক্স ডিজিটাল। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বুস্ট, সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ও গ্রাফিক্স ডিজাইন ইত্যাদি পরিষেবা নিয়ে কাজ করছে। যা ভবিষ্যতে আরো বৃদ্ধি পাবে বলে জানিয়েছেন তারা। সাইন-এক্স ডিজিটাল বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করার পাশাপাশি বিদেশি অনেকগুলো প্রতিষ্ঠানের হয়ে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের কাজ করছে। এতে করে কোম্পানির সুনামের পাশাপাশি দেশের সুনামও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকল্প অনুযায়ী, নাগরিকদের জীবন-মান উন্নত করতে ডিজিটাল প্রযুক্তিকে একীভূত করার পরিকল্পনা তৈরি করেছে সরকার। এক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিং যেমন অনেক কাজ সহজ করে দিয়েছে ও সময় বাঁচাচ্ছে, তেমনি ডিজিটাল রূপান্তর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করছে। এ বিষয়ে সাইন-এক্স ডিজিটাল সিইও মো. আবু সুফিয়ান সানজিদ বলেন, বর্তমান প্রযুক্তির যুগে ডিজিটাল মার্কেটিংই পারে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সফলতার দিকে ধাবিত করতে ও ব্যাবসার প্রসার ঘটাতে। কারণ বর্তমানে প্রায় সবাই দিনের অনেকটা সময় অনলাইনে থাকেন এবং বিভিন্ন অনলাইন সেবা নিয়ে থাকে।

তিনি বলেন, প্রথাগত মার্কেটিং থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং এখন অধিক উপযোগী। সে দিক বিবেচনা করলে যেকেউ এখন থেকেই ডিজিটাল মার্কেটিং এর ওপর নিজের দক্ষতা বাড়িয়ে নিজেকে একদিন অভিজ্ঞ ডিজিটাল মার্কেটারদের কাতারে নাম লেখাতে পারে। বিশেষ করে যুব সমাজের যারা বেকারত্বের সমস্যায় আছেন তারা চাইলে নিজের জীবন পরিবর্তন করে ফেলতে পারে এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে। তরুণদের অনেকে এখন ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে উৎসাহিত হয়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আনতে পারছেন। ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের গুরুত্ব কিংবা ক্যারিয়ার হিসেবে ডিজিটাল মার্কেটিং কেমন তা বলে শেষ করা যাবে না। তাই ক্যারিয়ার হিসেবে ভবিষ্যতে ডিজিটাল মার্কেটিং হবে অন্যতম একটি পেশা।